ছুটি নয়, আগামী ১০ দিন লকডাউনে থাকতে হবে: তাবিথ



ছুটি নয়, আগামী ১০ দিন লকডাউনে থাকতে হবে: তাবিথ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক | clock৮:৩২ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৬,২০২০

ছুটি নয়, আগামী ১০ দিন লকডাউনে থাকতে হবে: তাবিথ

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামী ১০ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। কিন্তু এটা সরকারকে আরেকটু পরিস্কার করা দরকার ছিল। কারণ এটা ছুটি কাটানোর বিষয় নয়। এ মনোবভাব থেকে দ্রুত সরে আসতে হবে। আগামী ১০ দিন আমরা যে যে জায়গায় আছি সে জাগাতেই অবস্থান করবো বলে জানিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন থেকে মেয়র পদে নির্বাচন করা বিএনপি প্রার্থী তাবিথ আউয়াল।

তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিত করবো কাউকে সংক্রামিত করবো না, নিজেও হবো না। সুতরাং আগামী দশ দিন আমরা সবকিছু বন্ধ (লকডাউন) করে রাখবো। বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় তাবিথ এ আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ওষুধের কথা শোনা যাচ্ছে, করোনাভাইরাসকে কিউর করার জন্য। ব্যাপারটি সত্য নয়। টেস্ট পেইজে বলা হচ্ছে যে, করোনা প্রতিরোধে ম্যালেরিয়ার ড্রাগগুলো ব্যাবহার হতে পারে। তবে কেউ নিজ উদ্যোগে এসব ওষুধ নিবেন না।

তিনি বলেন, ওষুধ নেয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন। অনেকেই এই রোগে আগামীতে আক্রান্ত হতে পারি। তাই আমরা চাচ্ছি এটাকে একটা দীর্ঘ মেয়াদি অবস্থায় নিয়ে যাওয়ার জন্য। যাতে করে আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থার উপর চাপ না পড়ে।

তাবিথ বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে দেশের মানুষ যখন ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে ঠিক এই সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি অত্যন্ত আনন্দের। উনার মুক্তির কারণে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে এই মহামারী থেকে মুক্তি পেতে পারব। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পর আমি বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। দেশের এমন পরিস্থিতিতে উনার এই ভাষণ থেকে বুঝা গেছে এতে একটু ঘাটতি রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি দেশে ১৩ হাজার টেস্ট কিট আছে আরও ৩০ হাজার টেস্ট কিট দেশে আনা হচ্ছে। তবে এই টেস্ট কিটগুলো কবে নাগাদ দেশে আসবে এসব যদি জানতাম তাহলে আরও কিছুটা স্বস্তিতে থাকতাম।

আমাদের বলা হয়েছে রাজধানীর ১০টি হাসপাতালে এবং দেশের অন্যান্য জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে অনেকগুলো আইসোলেশন বেড ও করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এখনো বলা হচ্ছে না ওই সকল আইসোলেশন বেডগুলেতে আইসিউর ব্যবস্থা আছে কি-না।

আমরা শুনতে পেলাম রপ্তানীমূখী শিল্পের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। আমরা আরো জানতে চাই রপ্তানীমূখী শিল্প ছাড়াও দেশে যে সকল শিল্প আছে তাদের ব্যাপারে কতটুকু টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে গত দুই মাস ধরে যে দুটি দাবি আমি জানিয়ে আসছি যে, পানিও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো যাবে না। কিন্তু ঠিকই এসবের দাম বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। যদিও এখন বলছে এই বিলগুলো জুনের আগে পরিশোধ করতে হবে না। আমি মনে করি আগে এসবের দাম কমিয়ে তারপর বিল চার্য করা প্রয়োজিন ছিল। আমরা খুব শিঘ্রই একটি অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্যে পরতে পারি।

আমরা দেশের স্বশস্ত্র বাহিনীকে ধন্যবাদ জানাই। কারণ তারা এই মহাবিপদের সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমি মনে করি সরকারে উচিত আহবান জানানো, বেসরকারী খাত, বিশেষকরে চিকিৎসা সেক্টরে সহযোগিতা করার জন্য। আর কিভাবে সহযোগিতা করা সে বিষয়টা পরিস্কার করার জন্য।

এমএইচ/জেডএস

রাজনীতি: আরও পড়ুন

আলোচিত সংবাদ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ